সোশ্যাল সিকিউরিটি নাম্বার সংগ্রহ (Collecting Social Security Number)

Social Security Number বা সংক্ষেপে SSN অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গোপন একটি নম্বর, যা ছাড়া আমেরিকাতে আপনি চলতে পারবেন না। যাওয়ার প্রথম কয়েকদিনের মধ্যেই আপনাকে এটা সংগ্রহ করে নিতে হবে।

GNUD01_001SSN কী এবং কেন?

সাধারণ জ্ঞান থাকা ভালো, তাই জেনে নিন। বৃদ্ধ বয়সে, বা পঙ্গু হয়ে গেলে, বা এমনকি বেকার হয়ে গেলে আমেরিকার সরকার তাদের নাগরিকদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করে। এটা একটা সামাজিক কল্যাণমূলক ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আয়ের ওপর ভিত্তি করে নাগরিকদের কাছ থেকে কর আদায় করা হয়। এবং অবসরের পর তাদেরকে পেনশনের মত করে মাসিক ভাতা দেয়া হয়। তাই, এই একটা নাম্বার সকল চাকুরিদাতা আপনার কাছ থেকে নেবেই। আপনি এসিস্ট্যান্টশিপের বেতন পাবেন না, এই নাম্বারটা ছাড়া। তো, বোঝাই যাচ্ছে, এটা আপনার লাগবেই।

কিভাবে যোগাড় করবেন SSN?

নির্দিষ্ট কিছু ডকুমেন্ট সহ আপনাকে সোশ্যাল সিকিউরিটি অফিসে যেতে হবে –

১) Passport/Visa – প্রমাণ দেয়ার জন্য যে আপনি আমেরিকাতে বৈধভাবে এসেছেন।
২) I-20 – আপনি আমেরিকাতে আসার আগেই ভার্সিটি থেকে I-20 পেয়েছিলেন, যেটা নিয়ে এম্ব্যাসিতে ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলেন। সেটা সাথে করে নিয়ে যেতে হবে।
৩) Letter of Approval – আপনার ভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল অফিস থেকে একটা চিঠি নিয়ে যেতে হবে। ঐ চিঠিতে এমন কিছু বলা থাকবে যে, “হুম, একে সোশ্যাল সিকিউরিটি দেয়া যায়।”
৪) সঠিক ঠিকানা – একটা সঠিক ঠিকানা লাগবে যেখানে ওরা আপনার সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ডটা পাঠিয়ে দিতে পারবে।

বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেখানে প্রতি বছর অনেক অনেক ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট আসে, ওদেরকে ওরিয়েন্টেশনের দিনেই (অর্থাৎ, একদম প্রথম দিনেই) বলে দেয়া হয় কী কী করতে হবে। শুধু তাই নয়, ওরা একটা সেশন রাখে যেদিন সব ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় সোশ্যাল সিকিউরিটি অফিসে। যাতায়াতের ব্যবস্থাও ওরাই করে। অপেক্ষাকৃত ছোটো ইউনিভার্সিটিগুলোতে, যেগুলোতে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে না, সেগুলোর ক্ষেত্রে আপনাকে কোনো বন্ধুর সহায়তা নিতে হবে ঐ অফিসে যাওয়ার জন্য।

কার্ড পাওয়ার পর

কার্ডটা বাসায় এসে পৌঁছানোর পর যত্ন করে সুরক্ষিত কোনো জায়গায় রেখে দিন। তার আগে নাম্বারটা মুখস্ত করে ফেলুন। মাত্র ৯ অংকের একটা সংখ্যা, সহজেই মুখস্ত হয়ে যাওয়ার কথা! মুখস্ত করতে বলছি, কারণ এটা অনেককে অনেকবার বলতে হতে পারে, অনেক ফর্মে লিখতে হতে পারে। মনে না থাকলে সবসময় সাথে করে বয়ে বেড়াতে হবে। আর সেটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

Advertisements
This entry was posted in Uncategorized. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s