Analytical Writing for GRE

GRE আর GMAT এর প্রথম সেকশনটাই হলো Analytical Writing. দুইটা essay লিখতে হয়। একটা Issue Task, আরেকটা Argument Task. প্রত্যেকটার জন্য সময় থাকে ৩০ মিনিট করে। মোটামুটি ২০০ শব্দের মত লেখা উচিৎ। দুইটা মিলে ০ থেকে ৬ এর মধ্যে একটা স্কোর দেয়া হয়। কিছুই না লিখলে, অথবা আজাইরা কথা লিখলে শুন্য পাওয়া কঠিন কিছু না। আর প্রাসঙ্গিক কিছু না কিছু লিখলে ১ অন্তত পাবেনই। তবে ৩ বা এর ওপরে পাওয়াটা ফান্ডিং এর জন্য জরুরী।

1) ISSUE TASK

একটা issue (লাইন) দেয়া থাকে। আপনাকে ঐ ইস্যুর প্রেক্ষিতে একটা essay লিখতে হবে। আপনি সেটার সমর্থনে, আংশিক সমর্থনে অথবা বিপক্ষে লিখতে পারেন। কিছু কিছু টেকনিক আছে-

প্রথমেই আপনাকে ইস্যুটাকে ব্যবচ্ছেদ করে ফেলতে হবে। পার্টে পার্টে আলাদা করে, আপনি এটার কতটুকু (পুরোটা অথবা আংশিক) সমর্থন করছেন, সেটা দেখুন ভালো করে। যদি আপনার মনে হয়, ইস্যুটা যে assumption নিয়ে লেখা হয়েছে, তার পুরোটাই ভুল, তাহলে বিপক্ষে চলে যান। এই সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আপনার একাডেমিক অথবা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা গুলো থেকে মনে করার চেষ্টা করুন যে আপনি কোন দিকে (পক্ষে বা বিপক্ষে) বেশি যুক্তি প্রদর্শন করতে পারবেন।

Presentation (রচনা) এর নাকি মাত্র তিনটা অংশ- Introduction, Description, Conclusion. কী লিখবেন, সেই তিন অংশে-
Introduction- Tell them what you are going to tell them
Description- Tell them
Conclusion- Tell them what you’ve told.

Simple Enough! এটাই করতে হবে, একটু গুছিয়ে। প্রথম অংশেই বলে ফেলুন, আপনি কি ইস্যুটাকে সাপোর্ট করছেন, নাকি বিপক্ষে যাচ্ছেন। তারপর যুক্তি আর উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিন যে কেন আপনিই সঠিক !! Single example approach এ লিখলে একটা উদাহরণের খুঁটিনাটি নিয়ে গবেষণামূলক প্রবন্ধ লিখুন। আর Multi example approach হলে বেশ কিছু উদাহরণকে এক কাতারে এনে আপনার অবস্থানকে যুক্তিযুক্ত করুন।

এমন কোন ইস্যু থাকেনা, যেটার বিপক্ষে একটা হলেও যুক্তি নেই। তাই, আপনার essay শেষ করার আগে সেই ব্যতিক্রমগুলোও শেয়ার করুন। পাশাপাশি জানিয়ে দিন, যে এটা ব্যতিক্রম। এবং ব্যতিক্রম কে উদাহরণ হিসেবে ধরা যায় না
শেষ করুন আপনার পজিশনে স্ট্রং থেকে; অহংকার নয়, আত্মবিশ্বাসের সাথে !

2) ARGUMENT TASK

একটা paragraph দেয়া থাকবে, যেটার গুষ্টি উদ্ধার করাই হচ্ছে আপনার কাজ। এই মেন্টালিটি নিয়ে আপনাকে পড়া শুরু করতে হবে যে, এই প্যারাগ্রাফের প্রত্যেকটা লাইন ভুল। তিন ধরনের ভুল খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন-

Error in assumption – যে প্যারাগ্রাফটা দেয়া আছে, সেটা কি এমন কোন কিছু assume করে নিচ্ছে, যেটা ভুল? যদি হ্যাঁ হয়, তাইলে আর আপনাকে পায় কে? ধূমায়ে লেখা শুরু করে দেন, The assumption of this argument is not congruent with our common knowledge. কিভাবে অসংগতি আছে, সেটা ব্যাখ্যা করুন।

Error in facts and information – তারা কি ভুল কোন ইনফর্মেশন দিচ্ছে? ইনফর্মেশন টা কতটুকু valid? আরো কোন ইনফর্মেশন কি প্রয়োজন ছিলো? ইনফর্মেশনের উৎস কি authentic? খুঁজে দেখুন। তারপর কি-বোর্ডের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ুন।

Error in Decision/Recommendation – প্যারাগ্রাফের শেষের দিকে যদি কোন decision or recommendation এর মত থাকে, তাহলে সেটা কতটুকু গ্রহণযোগ্য? সেটা কি ওপরে দেয়া ইনফর্মেশনগুলোর সাথে খাপ খায়? নাকি এমনেই আজাইরা বলে দিলো? আজাইরা হলে কেল্লা ফতে! ঘুরিয়ে ফিরিয়ে লিখে ফেলেন, যে রিকমেণ্ডেশনটা কতটা ভুয়া !!

TIPS

১) প্রত্যেক সেকশনেই প্রথম ৩ মিনিট ভাবাভাবি, আর শেষ ৫ মিনিট এডিটিং এর জন্য রেখে দিন।
২) খেয়াল রাখুন, কোন লাইন হঠাৎ শুরু হয়ে গেছে কিনা। অর্থাৎ, আগের লাইনের সাথে সামঞ্জস্য আছে কিনা।
৩) প্যারার সংখ্যা একের বেশি হলে কোন সমস্যা নেই। বরঞ্চ, আলোচনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে সেটাই অধিকতর গ্রহণযোগ্য।
৪) নতুন কোন পয়েন্ট মাথায় এলে পরে লিখবো বলে ফেলে রাখবেন না। পরে ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা এড়ানোর জন্য স্ক্র্যাচ পেপারে, অথবা স্ক্রিনেই ব্যপারটা টুকে নিন।

Advertisements
This entry was posted in Uncategorized. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s